বরকে মুসলিম বানিয়ে ইসলাম ধর্মের রীতি অনুযায়ী বিয়ে করেছিঃ ইতালির সেই সুমাইয়া

বর দোমেনিকো’কে মুসলিম বানিয়ে পরে ইসলাম ধ’র্মের রীতি অনুসারে বিয়ে করেছেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন বাংলাদেশী কনে সুমাইয়ারা। বুধবার ইতালিতে বসবাসরত প্রবাসী সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানায় নব-বিবাহিতা বাংলাদেশী কনে সুমাইয়ারা। ইতালির ক্যারিবিয়ান পুলিশ কর্মক’র্তা দোমেনিকো’র সাথে বাংলাদেশী মেয়ে সুমাইয়ারার বিয়ের ঘটনা ম’ঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) বাংলাদেশের কয়েকটি জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হবার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।

ফেসবুকে নানা ধরনের আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয় এ নবদম্পতিকে ঘিরে। এসময় অনেক প্রবাসী বাংলাদেশীরা নবদম্পতির সমালোচনা করে বলতে থাকে সুমাইয়ারা কোন ধ’র্মের রীতি অনুসারে বিয়ে করেছেন। ফেসবুকের এসব সমালোচনার কথা জানতে পেরে স্থানীয় বাংলাদেশী সাংবাদিকদের সুমাইয়ারা বলেন, আমি ও আমা’র বড় ভাই ২০১৫ সালে বাংলাদেশ থেকে ইতালি পাড়ি জমাই পড়াশোনা করার জন্য। আমা’র ভাই বর্তমানে রোমের তোরবেরগাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন আর আমি আরেক শহর পিয়েমন্তের তোরিনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হই। সেখানেই প্রথম আমা’র সাথে ক্যারাবিয়ান পুলিশ অফিসার দোমেনিকোর সাথে দেখা হয়। পরে আমা’দের মধ্যে ভালো একটা সম্পর্ক তৈরি হয়।

একপর্যায়ে সেটা ভালোবাসায় পরিণত হয়। পরে দোমেনিকো আমাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে আমি তাকে জানিয়ে দেই যে মুসলিম ধ’র্ম গ্রহণ করলে আমি তাকে বিয়ে করতে রাজি আছি। পরে দোমেনিকো ইসলাম ধ’র্ম গ্রহণ করলে তাকে নিয়ে আমি বাংলাদেশে যাই এবং গত মা’র্চ মাসের ৭ তারিখে বাংলাদেশে বসে মুসলিম শরিয়ত মোতাবেক বিবাহবন্ধনে আব’দ্ধ হই। পরে আবার আমর’া ইতালি ফিরে ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার ইতালিতে নতুন করে বিবাহ অনুষ্ঠানের আয়োজন করি। এসময় তিনি আরও বলেন, ‘আমা’দের সম্পর্কে না জেনে কেউ বাজে মন্তব্য করবেন না।

কাউকে নিয়ে সমালোচনা করার আগে তার সম্পর্কে ভালো করে জানা প্রয়োজন’। উল্লেখ্য, চলতি মাসের ১৪ তারিখ সোমবার ইতালির বন্দর শহর সালেরনোতে দেশটির মিলিটারি পুলিশ ফোর্স ‘ক্যারাবিয়ান পুলিশ’র অফিসার দোমেনিকোর সাথে বিবাহবন্ধনে আব’দ্ধ হন বাংলাদেশী মেয়ে সুমাইয়ারা। সুমাইয়ারা’র দেশের বাড়ি বাংলাদেশের মাগু’রা জে’লায়। তবে তিনি বড় হয়েছেন ঢাকার মালিবাগে। ঢাকায় এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা শেষ করে ২০১৫ সালে পড়াশোনা করার জন্য ইতালি পাড়ি জমান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *