কন্যার বয়স ১২, বরের ২০ বছর!

বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বড় বৈৎসব গ্রামে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীর বিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে গ্রামবাসী। এ সময় কাজীর দায়িত্বে থাকা উপজেলার মলুহার ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান পালিয়ে যান। সোমবার (৩ আগস্ট) রাত পৌনে ৯টায় বরের অভিভাবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইউএনও আব্দুল্লাহ সাদিদ।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার চাখার ওয়াজেদিয়া মেমোরিয়াল বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী ১২ বছরের ওই কনের নানা বাড়িতে জম্বুদ্বীপ গ্রামের বরের (২০) সঙ্গে বিয়ের আয়োজন চলছিলো। বর ঢাকায় একটি গার্মেন্টসে কর্মরত।

স্থানীয় ইউপি মেম্বার মেজবাহ উদ্দিন বলেন, দুপুরে কনের নানাবাড়ি বড় বৈৎসব গ্রামে উভয়পক্ষের উপস্থিতিতে বিয়ের রেজিস্ট্রি কাজ চলছিলো। বিষয়টি গ্রামবাসী জানতে পেরে আমাকে অবহিত করে। আমি ইউএনওকে মোবাইলে বিষয়টি জানাই। পরে পুলিশ এসে বর-কনেসহ তাদের অভিভাবকদের ইউএনও’র কার্যালয়ে নিয়ে যায়। এ সময় কাজী মিজানুর রহমান দৌড়ে পালিয়ে যান।

ইউএনও আব্দুল্লাহ সাদিদ জানান, বরের অভিভাবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একইসঙ্গে উভয়পক্ষের অভিভাবকের কাছ থেকে মুচলেকা রাখা হয় বর ও কনে প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিতে পারবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *